মোবাইলে ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার

মোবাইলে ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার

যারা মোবাইলে কিভাবে প্রফেশনালি ভিডিও এডিটিং করবেন ভাবছেন তাদের জন্য আজকের এই পোস্ট । এই পোস্টে আমি কয়েকটি জনপ্রিয় মোবাইলে ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার নিয়ে কথা বলবো এবং সেগুলোর ফিচারস এবং কিভাবে ব্যাবহার করবেন তাও জানিয়ে দিব ইনশাল্লাহ । চলুন তাহলে শুরু করা যাক ।

FilmoraGo

FilmoraGo একটি অসাধারণ মোবাইল অ্যাপ ভিডিও এডিটিং এর জন্য । যারা ইউটিউব এর জন্য ভিডিও বানাতে চাচ্ছেন তাদের জন্য one of the best ভিডিও এডিটর এটি । চলুন দেখে আসি কি কি ফিচারস আছে এই অ্যাপটিতে ।

ফিচারস

  • Pre made templates
  • Over 1000 copyright free music
  • Over 5000 premium stickers
  • Trim and cut video
  • Merge and join video
  • Slice and split video
  • Speed control
  • HD quality video export
  • Text Animation
  • PIP
  • Canvas
  • Customize Watermark
  • Share your social media instantly

কিভাবে ব্যাবহার করবেন

এখানে অনেকগুলো প্রি মেইড টেম্পলেট রয়েছে । আপনার পছন্দ মতো একটি সিলেক্ট করে ভিডিও বানাতে পারেন । এই অ্যাপে ১০০০ এর ও বেশি কপিরাইট ফ্রি মিউজিক রয়েছে যেগুলো আপনি চাইলে আপনার ভিডিও তে দিতে পারেন । এতে ৫০০০ এর ও বেশি প্রিমিয়াম লুকিং স্টিকার আছে যা আপনি ব্যাবহার করতে পারেন । আপনার ভিডিওর যেই অংশটি আপনি কাটতে চাচ্ছেন সেটি খুব সহজেই Trim করে নিতে পারবেন । সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে এই সফটওয়্যারটি দিয়ে আপনি ভিডিওর Speed control করতে পারবেন । অর্থাৎ ভিডিওর যে কোন অংশ ফাস্ট অথবা স্লো করতে পারবেন । এছাড়াও রয়েছে Text animation, canvas এবং আপনি চাইলে ওয়াটারমার্কটি ও চেঞ্জ করতে পারবেন ।

Powerdirector

Powerdirector একটি প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার । এর সাহায্যে অনেক বড় বড় ভিডিও এডিট করা যায় । ভিডিও এডিটিং এর সমস্ত ফিচারস আছে এর মধ্যে । চলুন দেখে আসি কি কি ফিচারস আছে এই সফটওয়্যার এ ।

ফিচারস

  • Green Screen Effect/chroma-key
  • Adjust Transparency
  • Video Stabilizer
  • Create eye catching intro
  • Control brightness, Color saturation
  • Trim, rotate and splice videos
  • Create video collage

কিভাবে ব্যাবহার করবেন

Powerdirector অ্যাপটির মূল আকর্ষণ হচ্ছে এর chroma-key ফিচারসটি । এই ফিচারসটি ব্যাবহার করে আপনি আপনার ভিডিওর ব্যাকগ্রাউন্ডটি চেঞ্জ করতে পারবেন । এতে আছে “Adjust Transparency” । অর্থাৎ এর সাহায্যে আপনি ভিডিওর transparency control করতে পারবেন । অনেক সময় ভিডিও আমরা ভিডিও করার সময় ভিডিও টি কাপে বা shake করে । কিন্তু এই সফটওয়্যারটিতে আছে ভিডিও স্টেবিলাইজার যার সাহায্যে আপনার ভিডিওটির shake করা বন্ধ করতে পারবেন । এতে আছে Intro maker, control brightness, color saturation, trimmer, rotate video সহ আরো অনেক ফিচার । এই সফটওয়্যারটি দিয়ে আপনি video collage ও বানাতে পারবেন ।

Kinemaster

Kinemaster সবার পরিচিত একটি মোবাইলে ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার । Kinemaster এর নাম শুনে নাই এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম । এটি ভিডিও এডিটিং এর জন্য পারফেক্ট একটি সফটওয়্যার । এর ইউজার ইন্টারফেস খুবই চমৎকার । যে কেউ এই সফটওয়্যারটি ব্যাবহার করতে পারবে । চলুন দেখে আসি কি কি ফিচারস আছে এর মধ্যে ।

ফিচারস

  1. Reverse Video
  2. More Than 2500 downloadable trasitions, effects and sticker
  3. Color adjustment tool
  4. Speed Control
  5. Save your video in 4k resolution
  6. Add music and voiceover
  7. And so many features

কিভাবে ব্যাবহার করবেন

Kinemaster ব্যাবহার করা খুবই সোজা । এর সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হচ্ছে এটি দিয়ে আপনি আপনার ভিডিওটি Reverse করে ও দেখতে পারবেন । এতে আছে প্রায় ২৫০০ এর ও বেশী ট্রানজেশন, ইফেক্ট, স্টিকার সহ আরো অনেক কিছু । আবার এতে আছে color adjustment টুল যেটি দিয়ে আপনি আপনার ভিডিওর কালার চেঞ্জ করতে পারবেন । Speed Control করতে পারবেন অর্থাৎ ভিডিওর যে কোন অংশ ফাস্ট ফরওয়ার্ড অথবা স্লো-মোশন করতে পারেন । অনেক সময় দেখা যায় ভিডিও এডিটর দিয়ে এডিট করার ফলে ভিডিও রেজুলেশন কমে যায় কিন্তু Kinemaster এ এরকম হয় না । এটি দিয়ে আপনি আপনার ভিডিও 4k resolution এ সেইভ করতে পারবেন । এছাড়াও আরো অন্নেক ফিচার আছে যা আপনি ব্যাবহার করলে বুঝতে পারবেন । কিন্তু kinemaster এর একটা সমস্যা হলো আপনি যদি তাদের ফ্রি ভার্সন ব্যাবহার করেন তাহলে তাদের লোগোটি আপনার ভিডিওর উপর অংশে চলে আসবে যা খুবই বিরক্তিকর মনে হয়েছে আমার কাছে ।

Leave a Reply