Guides & Tips

মোবাইল ব্যাংকিং কয়টি ও কি কি

মোবাইল ব্যাংকিং কয়টিঃ আজকে আলোচনা করবো মোবাইল ব্যাংকিং এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বাণিজ্যে মোবাইল ব্যাংক সমূহের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে। এবং জানিয়ে দিব দেশের জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং সমূহের এর নাম। আশা করি পুরো পোষ্টটি ধৈর্য সহকারে পড়বেন।

বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং সমূহ

বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং এর জনপ্রিয়তা যাচাই করার জন্য আমরা google trend ব্যবহার করেছি যেখানে বর্তমানে নগদ এর জনপ্রিয়তা সর্বাধিক। দ্বিতীয় স্থানে আছে বিকাশ এবং তৃতীয় স্থানে রকেট। আর বাকি গুলো এখনো এত জনপ্রিয়তা পায় নি।

মোবাইল ব্যাংকিং এর সুবিধা

  • ২৪ ঘন্টা, ৩৬৫ দিন নিজের একাউন্টে এক্সেস করার সুবিধা। আপনি চাইলে যেকোনো মুহূর্তে আপনার একাউন্টে এক্সেস করতে পারবেন।
  • একাউন্টের ব্যালেন্স জানতে পারা।
  • নিজেই এক একাউন্ট থেকে অন্য একাউন্টে টাকা পাঠাতে পারবেন।
  • ইউটিলিটি বিল পরিশোধ করা যায়। যেমন– বিদ্যুৎ, গ্যাস, ফোন, পানি ইত্যাদি।
  • একাউন্টের আয়-ব্যয়, উত্তোলন ইত্যাদি সম্পর্কে প্রতিনিয়ত জানতে পারা যায়।
  • সুদের হার, বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার ইত্যাদি জানা যায়।
  • কখন কাকে কত টাকা পাঠিয়েছেন সব হিসাব পরবর্তীতে দেখা যায়।

বিকাশ

বিকাশ বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ফোন ভিত্তিক টাকা স্থানান্তর বা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড কর্তৃক ২০১১ সালে বিকাশের যাত্রা শুরু হয়। গ্রাহকরা তাদের মোবাইল ফোন এর যেকোনো অপারেটর থেকে *২৪৭# ডায়াল করে বিকাশ সেবা পেতে পারেন। অর্থ প্রেরণ, মোবাইল রিচার্জ, পেমেন্ট, ক্যাশ আউট, পে বিল, ব্যালেন্স চেকিং, ব্যাংকের টাকা উত্তোলন সহ যাবতীয় সেবা এর মাধ্যমে আপনি পেয়ে থাকবেন।

নগদ

বিকাশ এর পরই যার নাম সবার আগে আসে সেটি হলো নগদ। নগদ ও বাংলাদেশে মোবাইল ফোন ভিত্তিক টাকা স্থানান্তর বা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। ডাক বিভাগ কর্তৃক ১১ নভেম্বর ২০১৮ সালে নগদের যাত্রা শুরু হয়। নগদ অ্যাকাউন্ট খুলে একজন গ্রাহক দেশের যে কোনো স্থান থেকে নিজের মোবাইলে অর্থ জমা, অর্থ প্রেরণ, মোবাইল রিচার্জ, পেমেন্ট, ক্যাশ আউট, পে বিল করতে পারেন।

রকেট

রকেট হলো ডাচ-বাংলা ব্যাংক কর্তৃক পরিচালিত মোবাইল ফোন ভিত্তিক টাকা স্থানান্তর বা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। বিকাশ এবং নগদ থেকে এটি একটু আলাদা। কারণ এর মাধ্যমে শুধু ক্যাশ ইন বা ক্যাশ আউট ই করা যায় না বরং মার্চেন্ট পেমেন্ট, ইউটিলিটি বিল পরিশোধ, বেতন বিতরণ, বৈদেশিক রেমিট্যান্স গ্রহণ, সরকারী ভাতা বিতরণ, এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন ইত্যাদি সব সেবা পাওয়া যায়।

শিওর ক্যাশ

শিওর ক্যাশ রূপালি ব্যাংক এর একটি মোবাইল ব্যাংকিং শাখা। শিওর ক্যাশ রূপালী ব্যাংক লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান। শিওর ক্যাশ ২০১৪ সালে বাংলাদেশ যাত্রা শুরু করে। শিওর ক্যাশ মোবাইল ডিভাইস ভিত্তিক ব্যাংকিং সেবা দান কারী প্রতিষ্ঠান। শিওর ক্যাশ এর মাধ্যমে ক্যাশ ইন, ক্যাশ আউট, বেতন বিতরণ,সরকারী ভাতা বিতরণ, এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন ইত্যাদি সব সেবা পাওয়া যায়।

রেডি-ক্যাশ

রেডি-ক্যাশ হলো জনতা ব্যাংক লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান। এর মাধ্যমে ও মোবাইল ব্যাংকিং এর যাবতীয় কাজ করা যায়।

টি-ক্যাশঃ 

ট্রাস্ট ব্যাংক কর্তৃক পরিচালিত মোবাইল ব্যাংকিং সেবার নাম হলো টি-ক্যাশ। ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড ২০১৮ সালে টি ক্যাশ নামে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রদান শুরু করে। টি ক্যাশের মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট রেজিস্ট্রেশন, নগদ টাকা উত্তোলন ও জমা দেওয়া, ফান্ড ট্রান্সফার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের টিউশন ও অন্য ফি জমা দেওয়া, সেনা, নৌ এবং বিমান বাহিনীতে নিয়োগ ফি দেওয়া যাবে। এছাড়াও পাসপোর্ট ফি, জাতীয় পরিচয়পত্রের ফি, ফরেন রেমিটেন্স ও বেতন বিতরণ এবং অনলাইনে মার্চেন্ট পেমেন্ট করা যাবে এ সার্ভিসে।

 ইউ ক্যাশঃ 

ইউসিবি (UCB) ব্যাংক ২০১৩ সালে ইউ ক্যাশ নামে একটি মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে। ইউসিবি ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং শাখা হলো ইউ ক্যাশ। এটি ও একটি মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান। ইউ ক্যাশ এর মাধ্যমে আপনি UCB ব্যাংকের সকল সেবা পেয়ে থাকবেন।

Leave a Reply

Back to top button